ইরানের হামলা ঠেকাতে অত্যাধুনিক সি-র্যাম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ অস্ত্রের সাহায্যে ড্রোন প্রতিহতের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল।
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও গ্রিন জোনে ড্রোন হামলা ঠেকাতে অত্যাধুনিক এই সমরাস্ত্র ব্যবহার করে মার্কিন বাহিনী।
যুক্তরাষ্ট্রের সমরভান্ডারে থাকা অত্যাধুনিক এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা’র সংক্ষিপ্ত নাম সি-র্যাম। অল্প দূরত্ব থেকে ছোঁড়া রকেট, মর্টার বা ছোট আর্টিলারি শেলকে ধ্বংসের লক্ষে সর্বপ্রথম মার্কিন নৌ-বাহিনীতে কমিশনড হয় এই অস্ত্র। এরপর, সেটির স্থল সংস্করণ C-RAM তৈরি হয়।
আধুনিক যুদ্ধে ব্যবহৃত ড্রোন, রকেট আর কামানের গোলার হামলা প্রতিহতে বেশ কার্যকর এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এর শক্তিশালী রাডার নিখুঁতভাবে টার্গেট শনাক্ত করে। এরপর সয়ংক্রিয় বন্দুক থেকে ২০ মিলিমিলিটারের বুলেট ছোড়া হয়। প্রতি মিনিটে প্রায় ৪ হাজার ৫শ’ রাউন্ড গুলি ছুঁড়তে সক্ষম এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।
তবে সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে পারে না এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। এটির পাল্লা মাত্র ১ থেকে ২ কিলোমিটার। তবে, ইন্টারসেপ্টর মিসাইলের পরিবর্তে বন্দুকের গুলি ব্যবহার হওয়ায় এর পরিচালনা ব্যায় বেশ কম। ফলে, স্বল্পমূল্যের ড্রোনের সিরিজ হামলা ঠেকাতে বেশ কার্যকর এই যুদ্ধাস্ত্র। পাশাপাশি হামলার মুহুর্তে সাইরেন বাজিয়ে আশপাশের সকলকে সতর্কও করে এই ব্যবস্থা।
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মার্কিন দূতাবাসগুলোর বেশিরভাগেই এই C-RAM এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম মোতায়েন রাখা হয়। তাছাড়া সামরিক ঘাঁটি আর যুদ্ধক্ষেত্রের অস্থায়ী ক্যাম্পে এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র।
Nayeem Al Mamun 


















