Dhaka 4:15 am, Wednesday, 18 March 2026
News Title :
ইরান আর ইরাক এক নয়, আঞ্চলিক শক্তিকে ভুলভাবে নেয়ার মাশুল গুনতে হবে। – Iran and Iraq are not the same, regional powers will have to pay the price for taking things the wrong way. টাঙ্গাইলে বাস-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩। – 3 killed in head-on collision between bus and auto-rickshaw in Tangail. যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের কাছে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব। – US proposes ceasefire to Iran. আবারও যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় মিত্রদের ওপর ইরানের হামলা। – Iran attacks US Gulf allies again. লালমনিরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় স্বামী-স্ত্রীসহ শিশু সন্তানের মৃত্যু। – Husband, wife, and child die after being hit by truck in Lalmonirhat. ইরানের মিনাবে স্কুলে মার্কিন হামলা যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন। – US attack on Iran’s Minabe school violates laws of war. শত্রুর এই অপরাধ আমরা ভুলব না, শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নেবোই’। – We will not forget this crime of the enemy, we will avenge the blood of the martyrs. লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে একাধিক বিমান হামলা ইসরায়েলের। – Israel launches multiple airstrikes in southern Lebanon. ইরানের পাল্টা জবাবে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ২০০। – 13 US soldiers killed, 200 injured in Iranian retaliation. ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিচ্ছে না মিত্ররা, পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। – Allies are not responding to Trump’s call, counterattacks are underway.

সৌদি আরব ও ইসরায়েল কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর ইরানে হামলা করতে রাজি করিয়েছে ট্রাম্পকে। – Saudi Arabia and Israel have convinced Trump to attack Iran after weeks of lobbying.

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশ ইসরায়েল ও সৌদি আরবের কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলকে নিয়ে শনিবার ইরানে হামলা চালিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

ওই চার সূত্র জানিয়েছে, জনসমক্ষে ইরান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলে এলেও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পকে বেশ কয়েকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুরু থেকেই ইরানকে তার দেশের জন্য অস্তিত্বের হুমকি বিবেচনায় দেশটিতে মার্কিন হামলার জন্য দীর্ঘদিন প্রকাশ্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

সেই আলোচনা চলাকালীনই সৌদি যুবরাজ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ফোনালাপের পর রিয়াদ বিবৃতি দেয়। তাতে বলা হয়, মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানে হামলার জন্য সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবেন না।

তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় সৌদি নেতা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই হামলা না চালায়, তবে ইরান ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। স্পর্শকাতর এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Daily Prime Post

Popular Post

ইরান আর ইরাক এক নয়, আঞ্চলিক শক্তিকে ভুলভাবে নেয়ার মাশুল গুনতে হবে। – Iran and Iraq are not the same, regional powers will have to pay the price for taking things the wrong way.

সৌদি আরব ও ইসরায়েল কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর ইরানে হামলা করতে রাজি করিয়েছে ট্রাম্পকে। – Saudi Arabia and Israel have convinced Trump to attack Iran after weeks of lobbying.

Update Time : 05:37:34 pm, Sunday, 1 March 2026

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশ ইসরায়েল ও সৌদি আরবের কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলকে নিয়ে শনিবার ইরানে হামলা চালিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

ওই চার সূত্র জানিয়েছে, জনসমক্ষে ইরান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলে এলেও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পকে বেশ কয়েকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুরু থেকেই ইরানকে তার দেশের জন্য অস্তিত্বের হুমকি বিবেচনায় দেশটিতে মার্কিন হামলার জন্য দীর্ঘদিন প্রকাশ্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

সেই আলোচনা চলাকালীনই সৌদি যুবরাজ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ফোনালাপের পর রিয়াদ বিবৃতি দেয়। তাতে বলা হয়, মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানে হামলার জন্য সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবেন না।

তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় সৌদি নেতা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই হামলা না চালায়, তবে ইরান ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। স্পর্শকাতর এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন।