Dhaka 7:41 pm, Tuesday, 2 June 2026
News Title :
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। – Pakistani PM to visit Saudi Arabia, Qatar, Türkiye after US-Iran talks. ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান। – Efforts to force Iran to surrender will fail: Masoud Pezeshkian. তিনি আর আগের মানুষ নেই, ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্প। – He is no longer the same person, Trump tells Italian PM. ইসরায়েলে দফায় দফায় হিজবুল্লার রকেট হামলা। – Hezbollah rocket attacks continue in Israel. হরমুজে বিধ্বস্ত ২৪ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন। – $240 million sophisticated US drone crashes in Hormuz. এক বছরেরও বেশি সময় ফ্রান্সে আটক থাকার পর ইরানে ফিরেছেন মাহদিয়ে এসফান্দিয়ারি। – Mahdi Esfandiari returns to Iran after more than a year in detention in France. আগের সরকারের ব্যর্থতায় হাম প্রকট আকার ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।Measles became more prevalent due to previous government’s failures: PM’s information advisor. যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে ইউরোপের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। – Iran is trying to get closer to Europe to pressure the US. পোলিশ পার্লামেন্টে ইসরায়েলি পতাকায় নাৎসিদের স্বস্তিকা প্রতীক দেখিয়ে সংসদ সদস্যের প্রতিবাদ। – MP protests in Polish parliament over Nazi swastika symbol on Israeli flag. তিরানায় আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ড্রোন ফুটেজে ধরা পড়ল আগুনের লেলিহান শিখা। – Massive fire breaks out in residential building in Tirana, drone footage captures flames.

সৌদি আরব ও ইসরায়েল কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর ইরানে হামলা করতে রাজি করিয়েছে ট্রাম্পকে। – Saudi Arabia and Israel have convinced Trump to attack Iran after weeks of lobbying.

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশ ইসরায়েল ও সৌদি আরবের কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলকে নিয়ে শনিবার ইরানে হামলা চালিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

ওই চার সূত্র জানিয়েছে, জনসমক্ষে ইরান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলে এলেও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পকে বেশ কয়েকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুরু থেকেই ইরানকে তার দেশের জন্য অস্তিত্বের হুমকি বিবেচনায় দেশটিতে মার্কিন হামলার জন্য দীর্ঘদিন প্রকাশ্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

সেই আলোচনা চলাকালীনই সৌদি যুবরাজ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ফোনালাপের পর রিয়াদ বিবৃতি দেয়। তাতে বলা হয়, মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানে হামলার জন্য সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবেন না।

তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় সৌদি নেতা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই হামলা না চালায়, তবে ইরান ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। স্পর্শকাতর এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Daily Prime Post

Popular Post

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। – Pakistani PM to visit Saudi Arabia, Qatar, Türkiye after US-Iran talks.

সৌদি আরব ও ইসরায়েল কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর ইরানে হামলা করতে রাজি করিয়েছে ট্রাম্পকে। – Saudi Arabia and Israel have convinced Trump to attack Iran after weeks of lobbying.

Update Time : 05:37:34 pm, Sunday, 1 March 2026

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই মিত্র দেশ ইসরায়েল ও সৌদি আরবের কয়েক সপ্তাহের লবিংয়ের পর আয়াতুল্লাহ খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে ইসরায়েলকে নিয়ে শনিবার ইরানে হামলা চালিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চারজন ব্যক্তির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট।

ওই চার সূত্র জানিয়েছে, জনসমক্ষে ইরান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলে এলেও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত এক মাসে ট্রাম্পকে বেশ কয়েকবার ব্যক্তিগতভাবে ফোন করে ইরানে মার্কিন হামলার পক্ষে মত দেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শুরু থেকেই ইরানকে তার দেশের জন্য অস্তিত্বের হুমকি বিবেচনায় দেশটিতে মার্কিন হামলার জন্য দীর্ঘদিন প্রকাশ্য প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই ট্রাম্প ইরানের নেতৃত্ব ও সামরিক বাহিনীর ওপর বিমান হামলার নির্দেশ দেন। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই খামেনি ও ইরানের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন অনুযায়ী, আগামী এক দশকে ইরানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে সরাসরি কোনো হুমকির আশঙ্কা ছিল না। তা সত্ত্বেও এই হামলা চালানো হয়েছে। ৯ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার একটি দেশের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার মতো এমন পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান থেকে গত কয়েক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিরত রেখেছিল। শনিবারের এই হামলা সেই দীর্ঘকালীন মার্কিন নীতি থেকে বড় বিচ্যুতি। এটি ট্রাম্পের নিজের আগের সামরিক পদক্ষেপগুলোর চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, কারণ আগে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর পরিসর ছিল সীমিত।

হামলার জন্য সৌদি আরব এমন এক সময়ে চাপপ্রয়োগ করে যাচ্ছিল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে দেশটির নেতাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

সেই আলোচনা চলাকালীনই সৌদি যুবরাজ ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ফোনালাপের পর রিয়াদ বিবৃতি দেয়। তাতে বলা হয়, মোহাম্মদ বিন সালমান ইরানে হামলার জন্য সৌদি আরবের আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবেন না।

তবে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় সৌদি নেতা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এখনই হামলা না চালায়, তবে ইরান ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের পর মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক উপস্থিতি রয়েছে। স্পর্শকাতর এই বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন।