ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে মার্কিন কনস্যুলেটের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় নয়জন নিহত হয়েছেন।
ডন জানিয়েছে, রোববার করাচির মাই কোলাচি রোডে মার্কিন কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে ওই বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে। পুলিশ সার্জন সুমাইয়া সৈয়দ জানিয়েছেন, নয়টি মরদেহ করাচি সিভিল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
ইসলামাবাদ থেকে আলজাজিরার সাংবাদিক আবিদ হোসাইন জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে গিলগিট-বালতিস্তানে বিক্ষোভকারী স্কার্দু শহরে বেশকিছু ভবন ভাঙচুর করেছেন। এর মধ্যে আছে, জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট একটি আঞ্চলিক দপ্তর। প্রাথমিকভাবে কেবল ভবনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানা গেছে।
এদিকে, ভারতশাসিত কাশ্মীরে কয়েক হাজার শিয়া মুসলিম বিক্ষোভ করেছেন। শ্রীনগরে লাল, কালো ও হলুদ পতাকা হাতে বিক্ষোভকারীরা সমবেত হন। সেখানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়। ৪০ বছর বয়সী সৈয়দ তৌফিক এএফপিকে বলেছেন, ‘আজ আমাদের সবার হৃদয় ভারাক্রান্ত। আমরা আমাদের প্রিয় নেতাকে হারানোর শোক পালন করছি।
সৈয়দ তৌফিক আরও বলেন, ‘ট্রাম্পের জন্য আমাদের সবার একটি বার্তা আছে। আমরা সব সময় আপনার নিপীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়াব। আপনি যদি মনে করেন আমাদের প্রিয় নেতাকে শহীদ করে আপনি সফল হয়েছেন, তবে আপনি ভ্রান্তিতে আছেন।’
কাশ্মীরের পাশাপাশি শিয়া মুসলিম আছে- ভারতের এমন এলাকাতেও বিক্ষোভ হয়েছে বলে জানিয়েছে আলজাজিরা।
Adiba tumme lamia 



















