চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই গত রোববার মধ্যপ্রাচ্য সংকট মোকাবিলায় পাঁচটি মূলনীতি ঘোষণা করেছেন। এই যুদ্ধকে তিনি ‘একটি অনভিপ্রেত সংঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেন। বার্ষিক ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের (এনপিসি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, বেইজিং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং সংঘাত নিরসনের পক্ষে। তবে মার্কিন চাপের মুখে তারা তেহরানকেও একা ছেড়ে দিচ্ছে না।
ওয়াং ই জানান, গাজার মানবিক সংকট মোকাবিলায় চীন একটি ‘দায়িত্বশীল পরাশক্তি’ হিসেবে ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত। বেইজিং ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকটে জাতিসংঘ সমর্থিত ‘দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান’ নীতি সমর্থন করে। ইরান চীনের অন্যতম প্রধান তেল সরবরাহকারী দেশ হলেও বেইজিং বর্তমানে একটি অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ভারসাম্য রক্ষা করছে। হরমুজ প্রণালীতে অবরোধ চীনের ওপরও প্রভাব ফেলছে। তবে বিশেষ দূত পাঠানোর মাধ্যমে চীন ইরানকে এই বার্তাও দিচ্ছে যে, মার্কিন চাপের মুখে তারা তেহরানকে একা ছেড়ে দিচ্ছে না।
Adiba tumme lamia 



















