Dhaka 11:27 pm, Friday, 17 July 2026
News Title :
বার কাউন্সিলের ‘লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি’র সদস্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম অর্ধশতাধিক শিশু ও ৪ জন এতিম শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিয়েছে কৃষ্ণচূড়া ফাউন্ডেশন ছোট সাহেবের বিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। – Pakistani PM to visit Saudi Arabia, Qatar, Türkiye after US-Iran talks. ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান। – Efforts to force Iran to surrender will fail: Masoud Pezeshkian. তিনি আর আগের মানুষ নেই, ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্প। – He is no longer the same person, Trump tells Italian PM. ইসরায়েলে দফায় দফায় হিজবুল্লার রকেট হামলা। – Hezbollah rocket attacks continue in Israel. হরমুজে বিধ্বস্ত ২৪ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন। – $240 million sophisticated US drone crashes in Hormuz. এক বছরেরও বেশি সময় ফ্রান্সে আটক থাকার পর ইরানে ফিরেছেন মাহদিয়ে এসফান্দিয়ারি। – Mahdi Esfandiari returns to Iran after more than a year in detention in France. আগের সরকারের ব্যর্থতায় হাম প্রকট আকার ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।Measles became more prevalent due to previous government’s failures: PM’s information advisor.

সংবিধান পরিবর্তনের কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আসতে পারে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। – No matter of constitutional change can come through ordinance: Home Minister.

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধানের ধারা পরিবর্তন হবে বা সংবিধান পরিবর্তন হবে এরকম কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আসতে পারে না। সেটা জায়েজ নাই। রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশও সেটা সংবিধান পরিবর্তনের কোনো বিধান করতে পারেন না। কিন্তু এই যে আদেশ, এই আদেশটা না অধ্যাদেশ, না আইন।

আজ রোববার (১৫ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্নের ওপর কয়েকটি পয়েন্ট অব অর্ডারে উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই আদেশটা না অধ্যাদেশ, না আইন। মাঝামাঝি কী জিনিস সেটার জন্য আমি বলেছিলাম এটা হয়ত নিউট্রাল জেন্ডার হতে পারে। এটা আমি অসংসদীয় কোনো শব্দ এখানে ব্যবহার করতে চাই না। এটা বাইরের বক্তৃতা হলে বলা যেতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা (বিরোধীদল) অসাংবিধানিকভাবে শপথ নিয়েছেন বটে, সেই পরিষদের আহ্বানের জন্য তিনি (জামায়াত আমির) রাষ্ট্রপতির আর্টিকেল ৭২ অনুসারে কনস্টিটিউশনের অধিবেশন আহ্বানের ঘোষণা চাচ্ছেন। তিনি বলেছেন যেহেতু দুইটি কাজ বাদে বাকিগুলো সব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে রাষ্ট্রপতিকে করে থাকেন এবং একইভাবে এই সংসদের আহ্বানও তিনি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী, আর্টিকেল ৭২ অনুসারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুসারে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের যেখানে অস্তিত্ব না থাকায়, প্রধানমন্ত্রীও সেটা পরামর্শ দিতে পারেন না রাষ্ট্রপতিকে, রাষ্ট্রপতিও সেই অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন না বিধায় সে করেননি। তো এখন যদি তাদের প্রশ্ন অনুসারে এই আদেশটা যদি বৈধ হয়, রাষ্ট্রপতি যে আদেশটা জারি করেছেন সেটা যদি সাংবিধানিক হয়, সেটা আমরা এখানে আলোচনা করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার ভিত্তিতে জনগণ এর পক্ষে আছে কি না—সেই প্রশ্নে গণভোট আয়োজনের কথা ছিল। এ নিয়ে এক দিন নাকি দুই দিনে ভোট হবে—তা নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত এক দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ব্যালটে শুধু ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ছিল। তবে পরে একটি আদেশ জারি করে সেখানে আরেকটি প্রশ্ন যুক্ত করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চারটি প্রশ্নের মধ্যে একটি বড় প্রশ্ন ছিল—জুলাইয়ে জাতীয় সনদের সমঝোতা হয়নি। এটি জবরদস্তিমূলকভাবে আরোপিত হয়ে গণভোটে দেওয়া হয়। বিষয়টি পড়তে তিন ঘণ্টা লেগেছে; জনগণ কী হ্যাঁ বা না দিয়েছে তা নিশ্চিত নন। চারটি ভোটে চারটি প্রশ্ন থাকা উচিত ছিল, যাতে হ্যাঁ-না উত্তর স্পষ্টভাবে দেওয়া যায়, কিন্তু সেই সুযোগ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে। সংশোধন পাশ হলে, তখনই সেই রায়নুযায়ী শপথ নেওয়ার বিষয় আসবে। তবে এখনই সংবিধান সংশোধনের বিল এই সেশনে আনা সম্ভব কিনা সন্দেহ আছে। কারণ প্রথম দিনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে। আইনমন্ত্রী হয়তো এগুলো বিশেষ কমিটিতে প্রস্তাব দেবেন, স্ক্রুটিনি শেষে রিপোর্ট পেশ হবে। পঞ্জিকা অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Daily Prime Post

বার কাউন্সিলের ‘লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি’র সদস্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম

সংবিধান পরিবর্তনের কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আসতে পারে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। – No matter of constitutional change can come through ordinance: Home Minister.

Update Time : 05:50:50 pm, Sunday, 15 March 2026

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সংবিধানের ধারা পরিবর্তন হবে বা সংবিধান পরিবর্তন হবে এরকম কোনো বিষয় অধ্যাদেশের মাধ্যমে আসতে পারে না। সেটা জায়েজ নাই। রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশও সেটা সংবিধান পরিবর্তনের কোনো বিধান করতে পারেন না। কিন্তু এই যে আদেশ, এই আদেশটা না অধ্যাদেশ, না আইন।

আজ রোববার (১৫ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অংশ নিয়ে বিরোধী দলীয় নেতার প্রশ্নের ওপর কয়েকটি পয়েন্ট অব অর্ডারে উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই আদেশটা না অধ্যাদেশ, না আইন। মাঝামাঝি কী জিনিস সেটার জন্য আমি বলেছিলাম এটা হয়ত নিউট্রাল জেন্ডার হতে পারে। এটা আমি অসংসদীয় কোনো শব্দ এখানে ব্যবহার করতে চাই না। এটা বাইরের বক্তৃতা হলে বলা যেতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে তারা (বিরোধীদল) অসাংবিধানিকভাবে শপথ নিয়েছেন বটে, সেই পরিষদের আহ্বানের জন্য তিনি (জামায়াত আমির) রাষ্ট্রপতির আর্টিকেল ৭২ অনুসারে কনস্টিটিউশনের অধিবেশন আহ্বানের ঘোষণা চাচ্ছেন। তিনি বলেছেন যেহেতু দুইটি কাজ বাদে বাকিগুলো সব প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনে রাষ্ট্রপতিকে করে থাকেন এবং একইভাবে এই সংসদের আহ্বানও তিনি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী, আর্টিকেল ৭২ অনুসারে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আর্টিকেল ৭২ অনুসারে, সংবিধান সংস্কার পরিষদের যেখানে অস্তিত্ব না থাকায়, প্রধানমন্ত্রীও সেটা পরামর্শ দিতে পারেন না রাষ্ট্রপতিকে, রাষ্ট্রপতিও সেই অধিবেশন আহ্বান করতে পারেন না বিধায় সে করেননি। তো এখন যদি তাদের প্রশ্ন অনুসারে এই আদেশটা যদি বৈধ হয়, রাষ্ট্রপতি যে আদেশটা জারি করেছেন সেটা যদি সাংবিধানিক হয়, সেটা আমরা এখানে আলোচনা করতে পারি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ যেভাবে রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার ভিত্তিতে জনগণ এর পক্ষে আছে কি না—সেই প্রশ্নে গণভোট আয়োজনের কথা ছিল। এ নিয়ে এক দিন নাকি দুই দিনে ভোট হবে—তা নিয়ে আলোচনা চললেও শেষ পর্যন্ত এক দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ব্যালটে শুধু ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ছিল। তবে পরে একটি আদেশ জারি করে সেখানে আরেকটি প্রশ্ন যুক্ত করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চারটি প্রশ্নের মধ্যে একটি বড় প্রশ্ন ছিল—জুলাইয়ে জাতীয় সনদের সমঝোতা হয়নি। এটি জবরদস্তিমূলকভাবে আরোপিত হয়ে গণভোটে দেওয়া হয়। বিষয়টি পড়তে তিন ঘণ্টা লেগেছে; জনগণ কী হ্যাঁ বা না দিয়েছে তা নিশ্চিত নন। চারটি ভোটে চারটি প্রশ্ন থাকা উচিত ছিল, যাতে হ্যাঁ-না উত্তর স্পষ্টভাবে দেওয়া যায়, কিন্তু সেই সুযোগ ছিল না।

তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধন আনতে হবে। সংশোধন পাশ হলে, তখনই সেই রায়নুযায়ী শপথ নেওয়ার বিষয় আসবে। তবে এখনই সংবিধান সংশোধনের বিল এই সেশনে আনা সম্ভব কিনা সন্দেহ আছে। কারণ প্রথম দিনে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপিত হয়েছে। আইনমন্ত্রী হয়তো এগুলো বিশেষ কমিটিতে প্রস্তাব দেবেন, স্ক্রুটিনি শেষে রিপোর্ট পেশ হবে। পঞ্জিকা অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।