ফোর্ট লেসলি জে. ম্যাকনেয়ার ঘাঁটিতে ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি এবং পেন্টাগনের শীর্ষ পর্যায়ের সামরিক কর্মকর্তাদের একটি অংশ অবস্থান করেন। সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমসহ ট্রাম্প প্রশাসনের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই এলাকার বিভিন্ন ঘাঁটিতে স্থানান্তরিত হয়েছেন।
ঘাঁটিটি ওয়াশিংটন ডিসির হোয়াইট হাউস এবং ক্যাপিটল হিল থেকে প্রায় ২ মাইল (৩ দশমিক ২ কিলোমিটার) দূরে অবস্থিত। তবে রাজধানীর অন্যান্য সামরিক ঘাঁটির মতো এখানে সমপর্যায়ের নিরাপত্তা বলয় নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ দিনের মধ্যে এক রাতে ফোর্ট ম্যাকনেয়ারের ওপর একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘাঁটির নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। পাশাপাশি বিষয়টি মোকাবিলায় হোয়াইট হাউসে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মার্কিন গণমাধ্যমকে সূত্রগুলো জানিয়েছে, ড্রোন দেখা যাওয়ার পর রুবিও ও হেগসেথকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। কারণ অক্টোবর মাসে একাধিক সংবাদমাধ্যমে তাদের ঘাঁটির বাসস্থানের তথ্য প্রকাশিত হয়েছিল। তবে এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এখনো তারা নিজেদের বাসস্থান ত্যাগ করেননি।
ড্রোনগুলো কোথা থেকে এসেছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য হুমকির কথা বিবেচনায় রেখে মার্কিন সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প প্রশাসন এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি।
Adiba tumme lamia 



















