Dhaka 3:34 pm, Saturday, 18 April 2026
News Title :
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। – Pakistani PM to visit Saudi Arabia, Qatar, Türkiye after US-Iran talks. ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান। – Efforts to force Iran to surrender will fail: Masoud Pezeshkian. তিনি আর আগের মানুষ নেই, ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্প। – He is no longer the same person, Trump tells Italian PM. ইসরায়েলে দফায় দফায় হিজবুল্লার রকেট হামলা। – Hezbollah rocket attacks continue in Israel. হরমুজে বিধ্বস্ত ২৪ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন। – $240 million sophisticated US drone crashes in Hormuz. এক বছরেরও বেশি সময় ফ্রান্সে আটক থাকার পর ইরানে ফিরেছেন মাহদিয়ে এসফান্দিয়ারি। – Mahdi Esfandiari returns to Iran after more than a year in detention in France. আগের সরকারের ব্যর্থতায় হাম প্রকট আকার ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।Measles became more prevalent due to previous government’s failures: PM’s information advisor. যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে ইউরোপের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। – Iran is trying to get closer to Europe to pressure the US. পোলিশ পার্লামেন্টে ইসরায়েলি পতাকায় নাৎসিদের স্বস্তিকা প্রতীক দেখিয়ে সংসদ সদস্যের প্রতিবাদ। – MP protests in Polish parliament over Nazi swastika symbol on Israeli flag. তিরানায় আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ড্রোন ফুটেজে ধরা পড়ল আগুনের লেলিহান শিখা। – Massive fire breaks out in residential building in Tirana, drone footage captures flames.

ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড আইন পাস করল ইসরায়েল। – Israel passes death penalty law for Palestinians.

  • Afiaa zaman
  • Update Time : 11:46:54 am, Tuesday, 31 March 2026
  • 28 Time View

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার একটি আইন পাস করেছে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট (নেসেট) । এই আইনের জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

সোমবার পাস হওয়া এই আইনে জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য দুটি আলাদা পথ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই আইনের ফলে অধিকৃত পশ্চিম তীরের যেসব ফিলিস্তিনির সামরিক আদালতে বিচার হয়, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডই পূর্বনির্ধারিত শাস্তি।
ফিলিস্তিনি পরিচালিত আইনি সংস্থা আদালাহর লিগ্যাল ডিরেক্টর সুহাদ বিশারা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই আইন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র-সমর্থিত ঠাণ্ডা মাথার হত্যাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে, যারা কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি করে না।’

তিনি বলেন, “এই আইনটি পরিকল্পিতভাবে শুধু ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করছে, যা সমতা ও বর্ণবৈষম্যবিরোধী মৌলিক নীতির লঙ্ঘন। এই আইনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পরিকল্পনা করেছে আদালাহ।

ইসরায়েলের আরেকটি প্রধান মানবাধিকার সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর সিভিল রাইটস ইন ইসরায়েল’ও এই আইনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছে।”
সংগঠনটি বলেছে, প্রথমত পশ্চিম তীরের জন্য আইন প্রণয়নের কোনো এখতিয়ার নেসেটের নেই। সেখানে ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই। দ্বিতীয়ত এই আইনটি অসাংবিধানিক।

এটি মানবাধিকার, মানব মর্যাদা, ন্যায্য বিচার এবং সমতার অধিকার লঙ্ঘন করে—যা ইসরায়েলের মৌলিক আইনে সুরক্ষিত।
আইনটি পশ্চিম তীরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে কার্যত একটি অন্ধকার পরিস্থিতি তৈরি করবে। এতে গোপনে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং মৃত্যুদণ্ডের তালিকায় থাকা বন্দিদের প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখার বিধান রয়েছে।

আইনে বলা হয়েছে, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ দোষী সাব্যস্তদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। এর ফলে ইসরায়েলি নাগরিকরা একই ধরনের অপরাধে দোষী হলেও কার্যত এর বাইরে থেকে যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, অধিকৃত অঞ্চলের জনগণের ওপর কোনো দখলদার শক্তি সাধারণত নিজের অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগ করতে পারে না। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে জর্ডানের কাছ থেকে পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসরায়েল, এবং আন্তর্জাতিক আইনে অঞ্চলটি অধিকৃত হিসেবেই বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেসেটের এই পদক্ষেপ পশ্চিম তীরকে কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একীভূত (ডি ফ্যাক্টো সংযুক্তিকরণ) করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Daily Prime Post

Popular Post

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। – Pakistani PM to visit Saudi Arabia, Qatar, Türkiye after US-Iran talks.

ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড আইন পাস করল ইসরায়েল। – Israel passes death penalty law for Palestinians.

Update Time : 11:46:54 am, Tuesday, 31 March 2026

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ জড়িত থাকার অভিযোগে ফিলিস্তিনিদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার একটি আইন পাস করেছে ইসরায়েলের পার্লামেন্ট (নেসেট) । এই আইনের জন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। খবর মিডল ইস্ট আইয়ের।

সোমবার পাস হওয়া এই আইনে জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের জন্য দুটি আলাদা পথ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই আইনের ফলে অধিকৃত পশ্চিম তীরের যেসব ফিলিস্তিনির সামরিক আদালতে বিচার হয়, তাদের জন্য মৃত্যুদণ্ডই পূর্বনির্ধারিত শাস্তি।
ফিলিস্তিনি পরিচালিত আইনি সংস্থা আদালাহর লিগ্যাল ডিরেক্টর সুহাদ বিশারা এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এই আইন এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র-সমর্থিত ঠাণ্ডা মাথার হত্যাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিচ্ছে, যারা কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি করে না।’

তিনি বলেন, “এই আইনটি পরিকল্পিতভাবে শুধু ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্যবস্তু করছে, যা সমতা ও বর্ণবৈষম্যবিরোধী মৌলিক নীতির লঙ্ঘন। এই আইনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করার পরিকল্পনা করেছে আদালাহ।

ইসরায়েলের আরেকটি প্রধান মানবাধিকার সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর সিভিল রাইটস ইন ইসরায়েল’ও এই আইনের বিরুদ্ধে আবেদন করেছে।”
সংগঠনটি বলেছে, প্রথমত পশ্চিম তীরের জন্য আইন প্রণয়নের কোনো এখতিয়ার নেসেটের নেই। সেখানে ইসরায়েলের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই। দ্বিতীয়ত এই আইনটি অসাংবিধানিক।

এটি মানবাধিকার, মানব মর্যাদা, ন্যায্য বিচার এবং সমতার অধিকার লঙ্ঘন করে—যা ইসরায়েলের মৌলিক আইনে সুরক্ষিত।
আইনটি পশ্চিম তীরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে কার্যত একটি অন্ধকার পরিস্থিতি তৈরি করবে। এতে গোপনে ফাঁসির মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং মৃত্যুদণ্ডের তালিকায় থাকা বন্দিদের প্রায় সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রাখার বিধান রয়েছে।

আইনে বলা হয়েছে, ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে’ দোষী সাব্যস্তদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। এর ফলে ইসরায়েলি নাগরিকরা একই ধরনের অপরাধে দোষী হলেও কার্যত এর বাইরে থেকে যেতে পারে।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, অধিকৃত অঞ্চলের জনগণের ওপর কোনো দখলদার শক্তি সাধারণত নিজের অভ্যন্তরীণ আইন প্রয়োগ করতে পারে না। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে জর্ডানের কাছ থেকে পশ্চিম তীরের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসরায়েল, এবং আন্তর্জাতিক আইনে অঞ্চলটি অধিকৃত হিসেবেই বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নেসেটের এই পদক্ষেপ পশ্চিম তীরকে কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একীভূত (ডি ফ্যাক্টো সংযুক্তিকরণ) করার ইঙ্গিত দিচ্ছে।