ইসরায়েলের এফ-৩৫ বহরের আধুনিকায়ন করছে যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলের এফ-৩৫ বহরের জন্য অতিরিক্ত সফটওয়্যার উন্নয়নে মার্কিন প্রতিরক্ষা ঠিকাদার লকহিড মার্টিনের সঙ্গে ১ কোটি ১৪ লাখ ডলারের একটি সংশোধিত চুক্তি হয়েছে। যার আওতায় ‘প্রোডাকশনাইজড প্লাস বিল্ডস’ নামে পরিচিত তিনটি সফটওয়্যার ডেটা লোড তৈরি করা হবে
বিদ্যমান এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার বেসলাইন থেকে এগুলো তৈরি করা হবে এবং কাজটি ইসরায়েলের নিজস্ব ‘সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ডিজাইন ফেজ–২’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত হবে, যেখানে সফটওয়্যার উন্নয়ন ও সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ারিং উভয় কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত। মিলিটারি ওয়াচ ম্যাগাজিনের এক প্রতিবেদেনে এই তথ্য ওঠে এসেছে।
কিন্তু প্রশ্ন উঠেছে, ইরান ও লেবাননের হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উচ্চমাত্রার সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানগুলোকে নতুনভাবে অভিযোজিত করতেই এই উদ্যোগ কি না?
ইসরায়েলই একমাত্র দেশ, যারা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে এফ-৩৫ বহর ব্যাপকভাবে কাস্টমাইজ করার এবং নিজস্ব অ্যাভিওনিক্স সংযোজনের অনুমতি পেয়েছে। দেশটি এ পর্যন্ত দুই দফায় মোট ৫০টি এফ-৩৫ কিনেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে দীর্ঘদিন ইসরায়েলের এই যুদ্ধবিমান কার্যত চ্যালেঞ্জহীন ছিল। কারণ, একই প্রজন্মের অন্য কোনো যুদ্ধবিমান সেখানে ছিল না।
তবে, ২০২৫ সালের শেষ দিকে আলজেরিয়া রাশিয়ার সুখই-৫৭ যুদ্ধবিমান ক্রয় করলে পরিস্থিতি পাল্টাতে শুরু করে।
এর মধ্যে, রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়, মধ্যপ্রাচ্যের আরেকটি দেশও সু-৫৭ কেনার অর্ডার দিয়েছে। এরপর থেকেই জোর আলোচনা চলছে, এই ক্রেতা দেশটি সম্ভবত ইরান হতে পারে।
Adiba tumme lamia 



















