যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তার জবাবে পাল্টা ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। বেইজিংয়ের দাবি, ইরানকে সামরিক সহায়তা দেয়ার বিষয়ে চীনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগের কথা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আর সেই মিথ্যা সংবাদের ভিত্তিতেই এই শুল্ক বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, ‘চীন ইরানকে সামরিক সহায়তা দেয়ার অভিযোগে গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট। এই অভিযোগের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের ওপর শুল্ক বাড়ায়, তাহলে চীন অবশ্যই পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।’
মুখপাত্র জানান, সামরিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে চীন সবসময় সতর্ক ও দায়িত্বশীল আচরণ করে থাকে। দেশটির আইন, বিধি-বিধান এবং আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা মেনে কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়েই এসব রপ্তানি পরিচালিত হয় বলেও জানানো হয়।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালি অবরোধের মধ্যে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। এই প্রণালি দিয়েই চীন তার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ তেল আমদানি করে থাকে। ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতি নিন্দা জানিয়েছে বেইজিং ও মস্কো। এই যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটে অর্থনৈতিকভাবে চীন বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।
দেশটি ইরানের তেলের অন্যতম প্রধান আমদানিকারক। পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরসহ ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চলে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে ছেড়ে যাওয়া জাহাজ অবরোধ করার জন্য সম্প্রতি আরোপিত মার্কিন পদক্ষেপেরও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বেইজিং।
Adiba tumme lamia 



















