
আমি সর্বদা নিজেকে সুপাত্র বলিয়া দাবি করি।এর পেছনে কিঞ্চিৎ পরিমান কারনও রয়েছে বটে।পরিবারের সকলের নিকট রাজপুএ খ্যাত।জন্মলগ্ন হইতে আজ পর্যন্ত অভাব গুনিয়া দেখা হয় নি যে।গোলা ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু,মাঠ ভরা শস্য সর্বদা পরিপূর্ণ। পূর্বপূরুষদের জমিদারি থাকিলেও পিতা দেহ ত্যাগ করিবার পর বড় ভ্রাতা তার হাল ধরিতে ব্যর্থ।তবুও নাম, যষ, খ্যাতি সবই বিদ্যমান।গ্রামো পঞ্চায়েত বসিলে সবার পূর্বের সিন্দুর পরিবরের হাক।সংসারে টানা পোড়া থাকিলেও বড় ভ্রাতা কাউকে বুঝিতে না দিয়া ছোট ভায়ের শিক্ষা জীবন বিলেত হইতেই সারিয়াছে।ইহাতে কিঞ্চিৎ মাটি বেচিতে হইলেও তাহা পরবর্তী উদ্ধার কার্য সম্ভব হইয়াছে।বিলেত ফেরত আমি বৈবাহের পিছনে না ছুটিলেও বৈবাহ ঠিকই চিনিয়া লইয়াছে আমার পথ।নিজ ঠিকানায় পৌছাইবার পর সকাল বিকেল রুটিন করিয়াই আসিত বৈবাহের প্রস্তাব।কিন্তু কোনোটিই যেন হইতাছিল না বড়দার মন মত।খান বাহাদুর গোষ্ঠী থাইকা আগত বড় বৌ দি।আমার জন্যি বড়দার চক্ষু তাহার থাইকাও উপরি।মন মতন মিলিলে হইবে বৈবাহ অন্যথ্যায় চলিবে কাল ক্ষেপন।এভাবেই কাটিতে লাগিল দিন।
জ্যোষ্ঠি মাসের ১৭ কিংবা ১৮ কাঠ ফাটা দুপুরি সিঁড়ি কোণে বসিয়া হুক্কা হাতে সংবাদ খানা লাড়িতেছিলেন বড়দা।এরি মাঝে বড় পুএ বলিয়া হাক আসিল।
বড়দা-কেঠা লো?
আঙ্গে আমি লো বড় পুএ।
আরে নিন্দু মশাই যে, কী মনে করে? বসেন গো।
কে, কোথায় আছিস রে?কুটুম আসিয়াছে পাটি লইয়া আয়।
ব্যস্ত হইছো কেনো।আমি তোমাগো ঘরের মানুষই।আসিয়াছিলাম একখানা অতি জরুরি বার্তা নিয়া।
কাল ক্ষেপন না করিয়া বলিয়া ফেলান মশাই।
আঙ্গে, লোক মুখে বহিয়াতেছে ছোট মিয়ার জন্যে নাকি কন্যি খোঁজ হচ্ছি।
কন্যি খুচ্ছি নহে, আসিতেছে অঢেল কিন্তু মিলিয়া উঠিতে পারতেছি নে।
নির্ভয় যদি দাও কন্যি একখান আছে।ভারী লক্ষী।শুনিয়াছি সদূর কলিকাতাও নাকি লেজ বহিতেছে।
কী জাত?
ব্রাহ্মণ্য, পুরোহিত আছে নাকি কজন। আসল ব্যবসায় ৩ খানা গহনা তৈরির কারখানা রহিয়াছে।কন্যে যেন সাক্ষাৎ মা লক্ষী।কী তাহার রূপের ঝলকানি।আখি যেন পেচার প্রতিচ্ছবি। পিতা পরম যত্নে তাহার নাম রাখিয়াছে শঙ্খমালা। জন্ম লগ্ন হইতে কোনো কষ্ট গুনিবার জো তাহার নাই।পরম যত্নের বাড়িয়া উঠা চার ভ্রাতার একমাত্র আদুরি বোন হিসেবে। সময় ফুরায় কন্যি বৈবাহ দিয়াতে হয়।বয়স চৌদ্দি পার হইবার আগেই তাই সমন্ধ খুজিবার পাল্লা।
নিন্দু মশাইয়ের কথার গুরুত্ব দিয়া, শঙ্খমালাকে দেখিবার দিন তারিখ ঠিক হইল। জ্যেষ্ঠি মাসের ২৫ তারিখ গোধুলির পূর্বি ব্রাহ্মণ বাড়িতে হাজির তাহাড়া ২ জন।আগে থেকেই জানিত বাড়িতে কুটুম আসিবে।এ তো আর যেই সেই কুটুম নহে সিন্দুর পরিবারর সদস্য, কদর তো একটু বেশিই।
শঙ্খমালাকে দেখিবার সাথে সাথেই পছন্দ হইয়া গেল বড়দার।পরিবারও মন্দ নহে।খাটি ব্রাহ্মণ্য, এটাই যথেষ্ট তারি মধ্যে কাঁচা টাকা, সোনার ব্যবসায় বলিয়া কথা। সুযোগ্য বলিয়া দিন তারিখ ধার্য করিতে ব্যস্ত হইয়া পড়িল বড়দা।
আসিল দেনা পাওনার কথা।বড়দা প্রথমেই দাবি করিয়া বসিল সোনায় মুড়িয়া দিতে হইবে।সহিত ঘর আসবাব। কিছু খুন কাল ক্ষেপন করিয়া সম্মত জানাইল শঙ্খমালার পিতা নিকেশ ব্রাহ্মণ।শঙ্খমালার বড় ভ্রাতা সামান্য বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করিলেও পিতার কড়া আদেশ নিজ স্থানে স্থীর হইয়া বসিয়া রহিল।
বড়দা কাল ক্ষেপন না করিয়া সময় ধার্য করিল আষাঢ় মাসের ১২। তৎক্ষনাৎ পুরোহিত ডাকিয়া কুষ্টি পড়িয়া লইল।নক্ষের মিল দেখিয়া ১২ ই রবি শুভ নিশ্চিত করিয়া বৈবাহের দিন ধার্য হইল।
২ দিন বাদ জ্যোষ্টি মাসের ২৭, বর স্বশরীরে উপস্থিত কণ্যের বাড়ি।এহাই তাহাদের প্রথম মিলন মেলা।কী তাহার চাহনি।হরিনী নয়না। কাঁচা হলদি তাহার গায়ের রংধনু। গড়ন পাতলা,তৈল কুঁচকালো কেশের বাহার।হালকা রংয়ের জামদানী আর কাজল কালো আঁখি তাহাকে আরো আকৃষ্ট করিয়া তুলিয়াছে।আমিও তাহার থেইকা কম কী?সুঠম দেহের অধিকারী, শ্বেত বর্নের গলা ভাঙা একখানা পাঞ্জাবি গায়ে জড়াইয়া হাজির।দীর্ঘ ক্ষণ অপেক্ষা করিতে হইল না। খবর রটিয়ে গেল কন্যি পক্ষ হইতেও পাএ সুপাএ হিসাবে ঘোষনা আসিয়াছে।
দেখিতে দেখিতে সময় নিকটে চলিয়া আসিল।আষাঢ় মাসের ১১ গভীর রাত দেখাইলো তাহার কাল বৈশাখের শক্তি। সব কিছু লাড়াইয়া দিল।পর দিন প্রভাত যেন বলুর ন্যায় চকচকে। আকাশে মেঘের ছিটে ফোটাও যেন নাই।শুরু হইয়া গেল বিয়ের আমেজ।৭০ খান গরুর গাড়ি লাইয়া উপস্থিত কণ্যের নিজ গৃহে।এ কী এক বিশাল আয়োজন।কানে ভাসিল শত জন লোক রাখা হইয়াছে অতিথি আপ্যায়ানের জন্য।আরো শোনা গিয়াছে কন্যে পক্ষ হইতে পুরো গ্রাম নাকি নিমন্ত্রণ করা হইয়াছে।ব্রাহ্মণ বাড়ির কন্যা বলে কথা,এমন আয়োজন তো নিঃশর্তে শোভা পায়।
ধুম ধাম করিয়া সম্পন্ন হইল বিবাহ কার্য।
পর্ব-২
গল্পের আসল কাহিনিতে এইবার আসা যাক।বৈবাহের বয়স দাড়াইল আজ নয় দিন।ভর দুপুররি বাড়ির নয়া বধু তাহার দায়িত্ব পালন করিতে যাহিয়া মাথা পাক খাইয়া উঠানি সকলের সামনে পাড়িয়া গেল।তোলপাড় লাগিয়া গেল সিন্দুর বাড়িতে।তৎক্ষনাৎ হাক পড়িল বিহারি কবিরাজের।তিনি নাড়ি চেক করিয়া, সকল কিছু ঘাটিয়া মাথা হীন করিয়া,কাল ক্ষেপন করিয়া বলিল “উমিদ ছে হে”।অর্থ্যাৎ শঙ্খমালা অন্তঃসত্ত্বা।এই কথা শুনিয়া সকলের মাথায় যেন বাজ পড়িয়া গেল।এহা কী করিয়া সম্ভব।বৈবাহ হইয়াছে সবে মাএ নয় দিন,বড়দা কবিরাজকে মারিবার ন্যায়।সকলে হাত জোড় করিয়া ঠেকাইয়া,জরুরি সভায় বসিল।কবিরাজের কথা বিশ্বাস না করিয়া,সঙ্গে সঙ্গে শহর থিকা ডাক্তার ডাকা হইল।বিশ্বাস করিতে কষ্ট হইলেও ডাক্তার আর কবিরাজ মিল রাখিয়া সিন্দুর বাড়ি ত্যাগ করিল।তাহার পূর্বে বলিয়া গেল ২ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
গৃহ ত্যাগ করিবার উপক্রম। বড় দা সামনে দাড়াইয়া বলিল,আমি এহার শেষ দেখিয়া ছাড়িব।পিতৃতুল্য বড়দার কথা অবাধ্য করিয়া গৃহ ত্যাগ করিবার জো আমার নাই।তাই চিলেকোঠায় জায়গা হইল আমার।সহিত শঙ্খমালাকে পাঠায়া দেয়া হইল তাহার বাড়ি।বড়দা সিদ্ধান্তে উপনীত হইল যে এত বড় বিশ্বাস ঘাতকার সমস্ত কথা হইবে আদালতে।বড়দার উপর কথা কইবার জো এই বাড়িতে কাহারো নাই।
চিলেকোঠায় বসিয়া বিরহী আমি ভাবিতে লাগিলাম, এ কী নিখাদ দুঃস্বপ্ন নাকি কঠিন বাস্তবতা।আমি চিন্তায়-চিন্তায় মরি।এ যেন এক নিমিষেই শেষ হইয়া গেল platonic love । আমার পুরো আকাশ যেন ছেয়ে গেল আফিমের ছায়ায়।এরি মধ্যে বড়দার হাক আসিল। থানায় যাইবার সময় আসিয়া গিয়াছে। সকল বিষন্নতা পায়ে ফেলিয়া কঠিন এক শোক বুকে চাপাইয়া,বিশ্বাস ভঙ্গের শাস্তি দিবার শংকল্প করিয়া, থানার উদ্দেশ্যে যাএা শুরু করিলাম।গরুর গাড়িতে বসিয়া মিনিট চল্লিশেক, পৌছিয়া গেলাম থানায়।দারোগা বাবু দেখিবার মাএই ছুটিয়া আসিল।
এত কষ্ট করি আসিবার কী দারকার ছিল।টেলিফোন করিলেই তো আমি চলিয়া যাইতাম।
বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নিজ শরীরেই উপস্থিত হইলাম।
বড়দা সমস্ত ঘটনা খুব সুন্দর করিয় দারোগাবাবুর নিকট উপস্থাপন করিল।দারোগা বলিল, এহা ভারি অন্যায়।সঠিক ধারা দেখিয়া চারখানা মামলা দেয়া যাইবে বলিয়া আশ্বাস দিল।
কোন বাড়ির কণ্যি গো?
ব্রাহ্মণ্য।
কোন ব্রাহ্মণ্য?
পিতা নিকেশ ব্রাহ্মণ্য,গহনার কারখানা রহিয়াছে।
কে?
পিতা নিকেশ ব্রাহ্মণ্য,গহনার কারখানা রহিয়াছে।
দারোগা মশাই কিছুক্ষন চুপ করিয়া রহিলেন।বলিলেন -আপনারা বড় বাঁচা বাঁচি গেছেন মশাই।
কেনো?
গত দশক দুইয়েক পূর্বে নিন্দু মশাই এর পুরো দালান পরিবার সহিত জ্বালাইয়া দিয়া হইয়াছে।
বলেন কী মশাই!
যাহা শুনিলেন তাহা খাঁটি সত্য কথা।
পুরো পরিবার আগুনে পুড়িয়া খান খান।সেই পর থিকে নানা রকম গুঞ্জন রটে তাহাদের পরিবার নিয়া।
কোনো ভাবেই বিশ্বাস করিতে পারিলেন না উপস্থিত সকলে।থানায় হট্টগোল বাধিয়া গেল।সকল ঘটনা শুনিবার পর দারোগাবাবু বলিলেন নিকেশ ব্রাহ্মণ্য বাড়ি যাওয়া যাক।থানার গাড়ি লইয়া নিকেশ ব্রাহ্মণ্য বাড়ি গিয়া বড়দা আর আমার চোখ থ লাগিয়া গেল।শুধু এক পোড়া বাড়ির অংশ বিশেষ।
দারোগা বাবু বলিলেন এইবার তো বিশ্বাস অর্জন করিয়াতে পারিয়াছি?
আমি আর বড়দা নিরব ভূমিকা পালন করিলাম।
পরক্ষনেই সিদ্ধান্ত হইল নিন্দু মশাইয়ের বাড়ি যাওয়া হইবে।সেখানে যাহিয়া যাহা দেখিলাম তাহাতে চোখ কপালে উঠিবার ন্যায়।কাল গোধূলি নাকি তাহার আত্মা দেহ ত্যাগ করিয়াছে। পুড়িবার সমস্ত বন্দ বস্ত হইয়া গিয়াছে,চিতায় তুলিবার ন্যায়।আমি আর বড়দা ভাবিতে লাগিলাম এহা আমাদের সাথে কী ঘটিতেছে।
পরক্ষণে আমি গৃহে ফিরিয়া গেলাম।
পর দিন ভোর সকাল,গৃহে পুরোহিত ডাকা হইল।মন্ত্র পাঠ হইল পুজা দেয়া হইল। পুজা শেষ পুরোহিতের নিকট সকল ঘটনা খুলিয়া বলা হইল।উনি দূর পাহাড়ে এক উঝার নিকট আমাকে আর বড়দাকে যাইতে বলিলেন।
আমরা কাল ক্ষেপন করিলাম না।দুপুর গড়িবার পর পরই বের হইয়া গেলাম।শহর ছাড়িয়া মেঘালয় পৌঁছাইতে দিন দুই লাগিয়া গেল।ঠিকানা মাফিক আমরা উপস্থিত হইলাম।সুদীর্ঘ পাহাড় তাহার চুড়ায় এক গোহা সেইখানেই তাহার বসবাস।
আমাকে দেখার সাথে সাথেই তিনি বলিয়া ফেলিলেন শঙ্খমালার পাতা ফাঁদে পা দিয়া ফেলেছিস। ও তো তোকে এক সাহজে ছাড়িবে না।যা নয় দিন পর আমার সাথে পুনরায় দেখা করবি। আমরা কিছু বলিবার পূর্বেই আমাদের বের করে দেয়া হইল। ঠিক দুই দিন পর আমরা বাড়ি পৌছাইলাম।
পর্ব -৩
এক্ষণি শঙ্খমালা দেখাইতে লাগিল তাহার রুপ।বাড়ির সামনি বড় জোড়া তালগাছ পার হইবার সময় কিছু বুঝে উঠিবার পূর্বেই সমস্ত শরীর পানি দিয়া ভিজিয়া দিলো।বুঝিতে আর দেড়ি হইল না এহা কাহার কাজ।বাড়ি পৌছাইয়া দুই জনই স্নান করিয়া লইলাম।রাতের ভোজন শেষ করিয়া চিলেকোটায় গিয়া নিজের ক্লান্ত শরীরটাকে বিছানার সঙ্গে লাগাইয়া ভাবিতে লাগিলাম,এহা আমার সাথে কী ঘটিতেছে?
এরি মধ্যে দরজায় কড়া নাড়ল।
কে?
“ও গো আমি শঙ্খমালা।”
নিমিষেই আমার গলা শুকিয়ে গেল।কিছুটা সময় চুপ থাকিয়া উওর দিলাম,কেনো এসেছো? কী চাও তুমি আমার কাছে?
“আমি আপনাকে চাই হে আমার প্রিয় স্বামী।সবাই আমার নামে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে। আমাকে বিশ্বাস করুন।আমার চোখ আপনাকে কখনই মিথ্যা বলতে পারে না।”
তাহার কথা শুনিয়া দরজার খুলিবার সাথে সাথেই দেখি সেখানে কাহারো কোনো পদ চিহ্ন টুকু নেই। পুরো শরীরটা ঘর থেকে বাহির করা মাএই এক গরম বাতাস এসে আমার শরীরে লাগিল।তারপর আমার আর কিছু মনে নেই।চোখ খুলতেই দেখি বৌদি আমার চোখে জল দিচ্ছে আর মাথার পাশে বড়দা দাড়িয়ে। সকলে কান্নার জোয়ার বাধিয়া দিয়াছে।আমার এই করুন অবস্থা দেখিয়া মায়ের নাকি নাড়ি বাড়িয়া গিয়াছে।
বড়দা জিজ্ঞেস করিল- কী হয়েছে?
শঙ্খমালা আসছে।আমাকে নিতে আসছে!
পরক্ষণেই শঙ্খমালা উপস্থিত হইল সকলে থাকা অবস্থায়।আমি দেখিলাম।সবাইকে বলবার অনেক চেষ্টা করিলাম।নিজেকে বৃথা প্রমান করিয়া শঙ্খমালার হাত ধরিয়া কোথায় যে হারাইয়া গেলাম, সেখামে শুধু শুভ্র গোলাপের সমারোহ। আর কী এক মিষ্টি ঘ্রাণ।
চোখ খুলতেই দেখি আমি চিতায়।সকলের মুখে হরি বল,বল হরি বল ধ্বনি জবসে।আমি উঠে বসা মাএই সকলে এলোপাতাড়ি দৌড়ানো শুরু করিল।শুধু দাঁড়াইয়া থাকি বড়দা আর ঐ পাহাড়ি ওঝা।আমি কিছু বুঝিয়া উঠিবার পূর্বেই সেই উঝা আমাকে শক্ত করিয়া ধরিয়া বলিল সব কিছুর সমাধান হচ্ছি আমার মৃত্যু।অন্যথায় আমার পরিবার পাপ মুক্ত হইবে না।
“কিন্তু কেন?”
Reporter Name 








