Dhaka 12:15 pm, Saturday, 13 June 2026
News Title :
ছোট সাহেবের বিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। – Pakistani PM to visit Saudi Arabia, Qatar, Türkiye after US-Iran talks. ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান। – Efforts to force Iran to surrender will fail: Masoud Pezeshkian. তিনি আর আগের মানুষ নেই, ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্প। – He is no longer the same person, Trump tells Italian PM. ইসরায়েলে দফায় দফায় হিজবুল্লার রকেট হামলা। – Hezbollah rocket attacks continue in Israel. হরমুজে বিধ্বস্ত ২৪ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন। – $240 million sophisticated US drone crashes in Hormuz. এক বছরেরও বেশি সময় ফ্রান্সে আটক থাকার পর ইরানে ফিরেছেন মাহদিয়ে এসফান্দিয়ারি। – Mahdi Esfandiari returns to Iran after more than a year in detention in France. আগের সরকারের ব্যর্থতায় হাম প্রকট আকার ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।Measles became more prevalent due to previous government’s failures: PM’s information advisor. যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে ইউরোপের ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করছে ইরান। – Iran is trying to get closer to Europe to pressure the US. পোলিশ পার্লামেন্টে ইসরায়েলি পতাকায় নাৎসিদের স্বস্তিকা প্রতীক দেখিয়ে সংসদ সদস্যের প্রতিবাদ। – MP protests in Polish parliament over Nazi swastika symbol on Israeli flag.

প্রথমবারের মতো সৌদির তেলের খনিতে ইরানের ড্রোন হামলা। – Iran’s drone attack on Saudi oil fields for the first time.

সৌদি আরবের একটি তেলের খনি লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সেসব ড্রোন ধ্বংস করে দিয়েছে। এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
একইসঙ্গে সৌদিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ারবেইস লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছুড়েছে ইরান। এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে সেটিও ধ্বংস করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, শায়েবাহ খনি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করা হয়েছিল। সেই হামলা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। ৬টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

এদিকে হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে ইরান দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Daily Prime Post

ছোট সাহেবের বিয়ে

প্রথমবারের মতো সৌদির তেলের খনিতে ইরানের ড্রোন হামলা। – Iran’s drone attack on Saudi oil fields for the first time.

Update Time : 01:12:59 pm, Saturday, 7 March 2026

সৌদি আরবের একটি তেলের খনি লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। তবে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সেসব ড্রোন ধ্বংস করে দিয়েছে। এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।
একইসঙ্গে সৌদিতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমান ঘাঁটি প্রিন্স সুলতান এয়ারবেইস লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ছুড়েছে ইরান। এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের মাধ্যমে সেটিও ধ্বংস করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বার্তায় বলা হয়, শায়েবাহ খনি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করা হয়েছিল। সেই হামলা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। ৬টি ড্রোন ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ধেয়ে আসা একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও ধ্বংস করা হয়েছে।

এর আগে, গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে সংলাপ চলে। পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি কোনো প্রকার সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই সেই সংলাপ শেষ হয়।
তার পরের দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একই সময়ে ইরানে সামরিক অভিযান ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েলও।

এদিকে হামলার পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলোতে ইরান দফায় দফায় ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে।