কাতারের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন ও রপ্তানি কেন্দ্র রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে মাত্র ১২ ঘণ্টারও কম সময়ে দুইবার আঘাত হেনেছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। হামলায় উপসাগরীয় এই দেশটির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি কেন্দ্রটিতে ‘ব্যাপক ক্ষতি’ হয়েছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
তীব্র নিন্দা জানিয়ে স্টারমার বলেন, ‘জনগণের স্বার্থে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধানের দিকে কাজ করছি।
কারণ যুদ্ধ বন্ধ করা হলো জীবনযাত্রার খরচ কমানোর দ্রুততম পথ।’
যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি ইরানের এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। ব্রিটিশ সরকার পরিস্থিতি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছে।’
এদিকে কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে হামলার প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বাইরেও ছড়িয়েছে।
যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারত। এসব দেশগুলোতে বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।
সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির এক বড় অংশই আসে কাতার থেকে। কাতারের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত ও সেখান থেকে রপ্তানি করা হয়।
ফলে এসব দেশের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছে।
Md Rakib Hossain 



















