Dhaka 4:45 pm, Sunday, 22 March 2026
News Title :
ইরানের মিসাইল ছুড়ার ভিডিও প্রকাশ। – Video of Iran missile launch released. সুদানে হাসপাতালে ভয়াবহ হামলা, ১৩ শিশুসহ নিহত ৬৪। – Horrific attack on hospital in Sudan, 64 killed, including 13 children. ইরান দূতাবাসের সামরিক কর্মকর্তাসহ ৪ কর্মীকে বহিষ্কার করল সৌদি। – Saudi Arabia expels 4 Iranian embassy staff, including military officer. হরমুজে জাপানি জাহাজ চলাচলে অনুমতি দিতে প্রস্তুত ইরান। – Iran ready to allow Japanese ships to pass through Hormuz. ভিডিওতে দেখা গেছে ইরানের মিসাইল ইসরাইলের দিমোনা শহরে আঘাত করছে, আর এরপর আবার নতুন হামলার জন্য সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজতে থাকে। – Footage captures the moment an Iranian ballistic missile struck the southern Israeli city of Dimona on Saturday evening. The city is known to be home to Israel’s main nuclear facility. Sirens have since sounded again across Dimona and nearby towns, as Iran launches another missile towards the area. ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনা থাকা শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। – Missile attack on Israeli city with nuclear facilities. ইরানকে ট্রাম্পের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম। – Trump’s 48-hour ultimatum to Iran. যুদ্ধের কয়েকদিনেই ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে। – Five million tons of greenhouse gases were emitted in just a few days of the war. ইসরায়েলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ভবন ধসে আহত ২০। – Iran missile attack on Israel, 20 injured in building collapse. অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিল যুক্তরাজ্য। – UK finally allows US to use base.

যুদ্ধের কয়েকদিনেই ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে। – Five million tons of greenhouse gases were emitted in just a few days of the war.

  • Afiaa zaman
  • Update Time : 11:27:39 am, Sunday, 22 March 2026
  • 10 Time View

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পৃথিবীর পরিবেশ ও জলবায়ুর ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে, যা বিশ্বের অনেক ছোট দেশের সম্মিলিত বার্ষিক দূষণের চেয়েও বেশি।

যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও বোমা হামলার ফলে তেল ও গ্যাস স্থাপনায় আগুন লাগছে এবং হাজার হাজার অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া ভবন থেকেই সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ ঘটছে।

ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের সিমেন্ট ও লোহা ধ্বংস হওয়ার সময় প্রায় ২৪ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়েছে।

এছাড়া যুদ্ধবিমান ও সামরিক যান পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের ফলে আরও দূষণ তৈরি হচ্ছে। প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ১৫ থেকে ২৭ কোটি লিটার জ্বালানি পুড়েছে বলে জানা গেছে।

তেল স্থাপনায় হামলার পর রাজধানী তেহরানে ‘কালো বৃষ্টি’ দেখা গেছে, যা তেল মিশ্রিত এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের বৃষ্টি ত্বকের ক্ষতি, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, তেল স্থাপনাগুলোতে হামলার ফলে কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল পুড়ে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের ফলেও পরিবেশে অতিরিক্ত দূষণ ছড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহেই প্রায় ৫০ লাখ টনের বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হয়েছে, যা বৈশ্বিক জলবায়ুর জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ চলতে থাকলে এই দূষণ আরও বাড়বে এবং বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করে তুলবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Daily Prime Post

Popular Post

ইরানের মিসাইল ছুড়ার ভিডিও প্রকাশ। – Video of Iran missile launch released.

যুদ্ধের কয়েকদিনেই ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে। – Five million tons of greenhouse gases were emitted in just a few days of the war.

Update Time : 11:27:39 am, Sunday, 22 March 2026

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পৃথিবীর পরিবেশ ও জলবায়ুর ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে, যা বিশ্বের অনেক ছোট দেশের সম্মিলিত বার্ষিক দূষণের চেয়েও বেশি।

যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও বোমা হামলার ফলে তেল ও গ্যাস স্থাপনায় আগুন লাগছে এবং হাজার হাজার অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া ভবন থেকেই সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ ঘটছে।

ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের সিমেন্ট ও লোহা ধ্বংস হওয়ার সময় প্রায় ২৪ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়েছে।

এছাড়া যুদ্ধবিমান ও সামরিক যান পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের ফলে আরও দূষণ তৈরি হচ্ছে। প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ১৫ থেকে ২৭ কোটি লিটার জ্বালানি পুড়েছে বলে জানা গেছে।

তেল স্থাপনায় হামলার পর রাজধানী তেহরানে ‘কালো বৃষ্টি’ দেখা গেছে, যা তেল মিশ্রিত এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের বৃষ্টি ত্বকের ক্ষতি, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, তেল স্থাপনাগুলোতে হামলার ফলে কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল পুড়ে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের ফলেও পরিবেশে অতিরিক্ত দূষণ ছড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহেই প্রায় ৫০ লাখ টনের বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হয়েছে, যা বৈশ্বিক জলবায়ুর জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ চলতে থাকলে এই দূষণ আরও বাড়বে এবং বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করে তুলবে।