Dhaka 12:34 am, Saturday, 18 July 2026
News Title :
বার কাউন্সিলের ‘লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি’র সদস্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম অর্ধশতাধিক শিশু ও ৪ জন এতিম শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিয়েছে কৃষ্ণচূড়া ফাউন্ডেশন ছোট সাহেবের বিয়ে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান আলোচনার পর সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। – Pakistani PM to visit Saudi Arabia, Qatar, Türkiye after US-Iran talks. ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে: মাসুদ পেজেশকিয়ান। – Efforts to force Iran to surrender will fail: Masoud Pezeshkian. তিনি আর আগের মানুষ নেই, ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ট্রাম্প। – He is no longer the same person, Trump tells Italian PM. ইসরায়েলে দফায় দফায় হিজবুল্লার রকেট হামলা। – Hezbollah rocket attacks continue in Israel. হরমুজে বিধ্বস্ত ২৪ কোটি ডলারের অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন। – $240 million sophisticated US drone crashes in Hormuz. এক বছরেরও বেশি সময় ফ্রান্সে আটক থাকার পর ইরানে ফিরেছেন মাহদিয়ে এসফান্দিয়ারি। – Mahdi Esfandiari returns to Iran after more than a year in detention in France. আগের সরকারের ব্যর্থতায় হাম প্রকট আকার ধারণ: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা।Measles became more prevalent due to previous government’s failures: PM’s information advisor.

যুদ্ধের কয়েকদিনেই ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে। – Five million tons of greenhouse gases were emitted in just a few days of the war.

  • Afiaa zaman
  • Update Time : 11:27:39 am, Sunday, 22 March 2026
  • 52 Time View

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পৃথিবীর পরিবেশ ও জলবায়ুর ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে, যা বিশ্বের অনেক ছোট দেশের সম্মিলিত বার্ষিক দূষণের চেয়েও বেশি।

যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও বোমা হামলার ফলে তেল ও গ্যাস স্থাপনায় আগুন লাগছে এবং হাজার হাজার অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া ভবন থেকেই সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ ঘটছে।

ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের সিমেন্ট ও লোহা ধ্বংস হওয়ার সময় প্রায় ২৪ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়েছে।

এছাড়া যুদ্ধবিমান ও সামরিক যান পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের ফলে আরও দূষণ তৈরি হচ্ছে। প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ১৫ থেকে ২৭ কোটি লিটার জ্বালানি পুড়েছে বলে জানা গেছে।

তেল স্থাপনায় হামলার পর রাজধানী তেহরানে ‘কালো বৃষ্টি’ দেখা গেছে, যা তেল মিশ্রিত এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের বৃষ্টি ত্বকের ক্ষতি, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, তেল স্থাপনাগুলোতে হামলার ফলে কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল পুড়ে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের ফলেও পরিবেশে অতিরিক্ত দূষণ ছড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহেই প্রায় ৫০ লাখ টনের বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হয়েছে, যা বৈশ্বিক জলবায়ুর জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ চলতে থাকলে এই দূষণ আরও বাড়বে এবং বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করে তুলবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Daily Prime Post

বার কাউন্সিলের ‘লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি’র সদস্য মনোনীত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম

যুদ্ধের কয়েকদিনেই ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে। – Five million tons of greenhouse gases were emitted in just a few days of the war.

Update Time : 11:27:39 am, Sunday, 22 March 2026

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পৃথিবীর পরিবেশ ও জলবায়ুর ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ৫০ লাখ টন গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরিত হয়েছে, যা বিশ্বের অনেক ছোট দেশের সম্মিলিত বার্ষিক দূষণের চেয়েও বেশি।

যুদ্ধবিমান, ড্রোন ও বোমা হামলার ফলে তেল ও গ্যাস স্থাপনায় আগুন লাগছে এবং হাজার হাজার অবকাঠামো ধ্বংস হচ্ছে। এতে বিপুল পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড ও বিষাক্ত ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ধ্বংস হওয়া ভবন থেকেই সবচেয়ে বেশি কার্বন নিঃসরণ ঘটছে।

ইরানের রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধে প্রায় ২০ হাজার ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ভবনের সিমেন্ট ও লোহা ধ্বংস হওয়ার সময় প্রায় ২৪ লাখ টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়েছে।

এছাড়া যুদ্ধবিমান ও সামরিক যান পরিচালনায় বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের ফলে আরও দূষণ তৈরি হচ্ছে। প্রথম ১৪ দিনেই প্রায় ১৫ থেকে ২৭ কোটি লিটার জ্বালানি পুড়েছে বলে জানা গেছে।

তেল স্থাপনায় হামলার পর রাজধানী তেহরানে ‘কালো বৃষ্টি’ দেখা গেছে, যা তেল মিশ্রিত এবং মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের বৃষ্টি ত্বকের ক্ষতি, শ্বাসকষ্ট ও অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিশ্লেষণে আরও বলা হয়েছে, তেল স্থাপনাগুলোতে হামলার ফলে কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল পুড়ে বিপুল পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহারের ফলেও পরিবেশে অতিরিক্ত দূষণ ছড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে যুদ্ধের প্রথম দুই সপ্তাহেই প্রায় ৫০ লাখ টনের বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ হয়েছে, যা বৈশ্বিক জলবায়ুর জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ চলতে থাকলে এই দূষণ আরও বাড়বে এবং বিশ্বব্যাপী জলবায়ু সংকটকে আরও তীব্র করে তুলবে।